• মঙ্গলবার, ০৫ জুলাই ২০২২, ০১:৩০ অপরাহ্ন

বাংলাদেশের জাতীয় খেলা কাবাডি কিভাবে সর্বপ্রথম অনুষ্ঠিত হয়েছিল?

নিজস্ব প্রতিবেদক / ২৯৯ Time View
Update : শুক্রবার, ২৪ ডিসেম্বর, ২০২১

ভারত-পাকিস্তান উপমহাদেশের একটি জনপ্রিয় খেলা কাবাডি উপমহাদেশের আঞ্চলিক বিভিন্ন খেলাটি অনুষ্ঠিত হতো যেহেতু আঞ্চলিক খেলা তাই বিধিবদ্ধ নিয়মকানুন ছিলনা গ্রাম অঞ্চলে এই খেলা হয়েছিল বিনোদনের একমাত্র উৎস বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী হা-ডু-ডু খেলার পোশাকের নাম কাবাডি স্বাধীনতার পর বাংলাদেশের খেলা চলার গতি সঞ্চারের লক্ষ্যে বিভিন্ন ফ্যাশন পূর্ণ গঠন করা হয় তারই ধারাবাহিকতায় হাজার 973 সালে বাংলাদেশ কাবাডি ফেডারেশন গঠিত হয় অনুষ্ঠিত দশম শ্রেণীর অন্তর্ভুক্ত হয় তখন থেকেই কাবাডি খেলা জাতীয় অঙ্গনে পা রাখে হাজার 990 সালের অনুষ্ঠান এশিয়ান গেমসের কাবাডি খেলা অন্তর্ভুক্ত হিসেবে স্থাপন করে নিয়েছে কাবাডি খেলার মাঠ এবং নরম মাটি অথবা তৈরি হবে.

 

 

পুরুষ জুনিয়ার বালক মহিলা ও জুনিয়ার বালিকা সাব-জুনিয়র বালক বালিকা পুরুষ বলতে যাদের বয়স ওজন 80 কেজি পাতার নিচে তাদেরকে বোঝা জুনিয়ার বলতে যাদের ওজন 65 কেজি পাতার নীচে এমন বয়স সর্বোচ্চ 20 বছর ঈদের মাঠের মাপ দৈর্ঘ্য 13 মিটার প্রস্থ 10 মিটার মহিলাদের ওজন 70 কেজি পাতার উপরে তাদের বোঝায় যাদের ওজন 60 কেজি পাতার নিচে এবং সর্বোচ্চ বয়স 20 বছর মাঠের দৈর্ঘ্য 12 মিটার এবং প্রস্থ হবে 8 মিটার বয়স 16 বছর এবং ওজন 50 কেজি তার নিচে এদের জন্য পরিমাণ হবে 11 মিটার এবং 8 মিটার খেলার মাঠের দৈর্ঘ্য 4 মিটার প্রস্থ 8 মিটার মহিলা ও জুনিয়রদের দৈর্ঘ্য 12 মিটার এবং প্রস্থ 6 মিটার এবং সাপ বালক বালিকাদের জন্য দীর্ঘ 11 মিটার প্রস্থ 4 মিটার মরা খেলোয়াড়দের বসার জন্য যে জায়গায় সংস্কৃত রাখা হয় তাকে ফিটিং ব্লগ বলে কাবাডি কোর্টের প্রান্তরেখা 2 মিটার পুরুষদের জন্য 18 মিটার মহিলাদের জন্য এক ঘনমিটার ঘর থাকতে হবে যাকে বলে খেলার মাঠের দিকে এক মিটার চওড়া যে জায়গা আছে তাকে

 

 

 

বল খেলার মাধ্যমে চলে আসবে কাজে সমান ভাগে ভাগ করতে হবে তাকে মধ্যরেখা বলে প্রত্যেক অর্ধেক মধ্য রেখা দ্বারা বিভক্ত হয়ে কোড বলে মন্ত্রণালয় কর্তৃক দেওয়া হয় তাকে বলে যার দূরত্ব পুরুষদের 3.75 মিটার মহিলাদের 3 মিটার হয়ে থাকে

 

 

 

 

টসে দেদল ক্যাপ্টেনের জয়লাভ করবে সে দল পছন্দমত রেইনকোট নিবেদিত দলের ক্যাপ্টেন অবশিষ্ট পছন্দ গ্রহণ করবে দ্বিতীয়ার্ধে কোড বদল হবে খেলার শুরুর সময় যে দল দিয়েছিল দ্বিতীয়বার অপরদল দম দিয়ে খেলা শুরু করবে খেলে শরীরের যে কোন অংশ বাউন্ডারির বাইরে ভূমি স্পর্শ করবে সেটা হবে বাইরেরটা হবে না

 

 

 

যদি তার শরীরের কোন অংশ বাড়ির ভিতরে ভূমির স্পর্শ করে কোন খেলোয়ার বাড়ি থেকে বাইরে আউট হবেন আট নম্বর কল করবে ততবার কোর্টের বাইরে নিয়ে যেতে হবে সময় বাঁশি বাজানো চলবে না চলবে নি স্পর্শ করে তাহলে আউট হবে না আউট হবে খেলার মাঠের হিসেবে গণ্য হবে ফিরতে পারবেন

 

 

 

যদি ঠিকমতো পূরণ না করে তাহলে রেফারি আম্পায়ার করবে এবং বিপক্ষ দল একটি টেকনিক পয়েন্ট পাবে স্পর্শ করে তাহলে তাকে প্রকল্প পিকনিক পয়েন্ট দেওয়া সুযোগ দেওয়ার সুযোগ না থাকার দম নেওয়ার জন্য বিপক্ষে প্রবেশ করে তাহলে তার ব্যাপারে করাকে বিকল্প দলকে পয়েন্ট দেব.


আপনার মতামত লিখুন :

Leave a Reply

Your email address will not be published.

More News Of This Category